বিক্রমপুর মডেল টাউনে আপনি কেন বুকিং দিবেন?

  • প্রকল্প এলাকার মাত্র ৫০% আবাসিক এলাকা এবং অবশিষ্ট ৫০% উন্মুক্ত স্থান।
  • প্রকল্পটি প্রাকৃতিক ভাবে পূর্ব থেকেই উঁচু ভূমিতে অবস্থিত। ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন অত্যন্ত বাস্তবসম্মত।
  • অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ পরিরেশবিদ, পরিকল্পনাবিদ ও স্থুপতিদের পরামর্শের ভিত্তিতে এবং আধুনিক বিশ্বের উন্নত প্রকল্পের আদলে এবং সম্পূর্ণ ভাবে সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী পরিকল্পিত “বিক্রমপুর মডেল টাউন” প্রকল্প ।
  • প্রকল্পের অভ্যন্তরে থাকছে হেলিপ্যাড, ২৫-৫০ ফুট প্রশস্থু রাস্তা ও সকাল-বিকাল হাটার জন্য থাকবে প্রশস্থু ফুটপাত।
  • প্রকল্পে স্থাপন করা হবে বিদ্যুৎ প্রকল্প, পানি বিশোধন প্রকল্প, বজ8 নিষ্কাশন প্রকল্প ও বায়োগ্যাস প্রকল্প।
  • প্রকল্পে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, কালচারাল সেন্টার।
  • প্রকল্পের ভিতরে থাকবে ডুপ্রেক্স ও ট্রিপ্রেক্স জোন। যার প্রতিটি কর্ণার প্রুট।
  • প্রকল্পের ভিতরে থাকবে লেক ভিউ ইকো রিসোর্টি। এছাড়া থাকবে এলিট ক্লাব ও এলিট ক্লাবের মেম্বার হওয়ার সুযোগ |
  • “বিক্রমপুর মডেল টিউন” এ পর্যাপ্ত জমির ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের সাথে সাথে রেজিস্ট্রেশন ও হস্তান্তর।
  • তুলনামূলকভাবে কম মূল্যে প্রট প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
  • নিজস্ব পরিবহনে প্রকল্প পরিদর্শনের সুব্যবস্থা।
  • সার্বক্ষনিক কেন্দ্রীয় নিরাপত্ত ব্যবস্থা।
  • সুদমুক্ত দীর্ঘমেয়াদী কিস্তির মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের সুবিধা
  • সর্বোপরি “বিক্রমপুর মডেল টাউন” হবে ঢাকা-মাওয়া রোডের সবচয়ে দৃষ্টিনন্দন প্রকল্প ।

মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

বিশ্ববিদ্যালয়

স্কুল এন্ড কলেজ

মসজিদ

ঈদগাহ মাঠ

কবরস্থান

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী ১০ বছরে উক্ত এলাকা হয়ে উঠবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল। অর্থাৎ ঢাকা মাওয়া রোড হবে আগামী দিনের হংকং, সিঙ্গাপুরের মত ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা এবং “বিক্রমপুর মডেল টাউন” এর একটি প্রুট হবে গুলশান, বনানী ও বারিধারার চেয়েও মূল্যবান।

অতএব “বিক্রমপুর মডেল টাউন” এ একটি প্রুটি বুকিং দেওয়া মানে স্বর্ণর খনিতে একটি বৃক্ষ রোপণ করা।